Posts

নেশা থেকে মুক্ত হতে, যা করবেন

  নেশা থেকে মুক্ত হ তে, যা করবেন ধূমপান বা মদ্যপানের নেশা ছাড়ানোর উপায় যে কৌশলে ধূমপান ছেড়েছেন অনেকে   https://www.youtube.com/watch?v=xJcTNeM8dpM যে ঔষধে এবার সিগারেট খাওয়া বন্ধ হবেই ঔষুধ ছাড়াই ধূমপান ছাড়ার সহজ উপায়। ডাঃ শাহনাজ চৌধুরী। আপনার কেন আজই ধূমপান ছেড়ে দেওয়া উচিৎ । Dr. Jahangir Kabir। JK Lifestyle ধূমপান ছাড়ার পর ফুসফুসের পরিচর্যা || 

আপনার পরিবারের কেউ মাদক নিচ্ছে কি না!

  শারীরিক লক্ষণ মাদক গ্রহণের ফলে একজন ব্যক্তির মাঝে বিরাট শারীরিক ও আচরণগত পরিবর্তন হয়। সেই পরিবর্তনগুলো একটু ভালোভাবে লক্ষ্য করলেই বুঝতে পারবেন আপনার পরিবারের কেউ মাদক নিচ্ছে কি না। (১) খাওয়ার প্রবণতা এবং ঘুমের সময়সীমার পরিবর্তন চলে আসলে। ওজন হঠাৎ করে বেড়ে গেলে বা কমে গেলে। (২) চোখ লাল হয়ে থাকলে এবং চোখের মণি স্বাভাবিকের চেয়ে বড় বা ছোট দেখালে। (৩) নাক দিয়ে প্রায়ই রক্ত পড়লে। সাধারণত কোকেইন বা নিঃশ্বাসের সাথে গ্রহণ করতে হয় এমন মাদকের বেলায় এই লক্ষণ দেখা যায়। (৪) চেহারা এবং পোশাকের পরিধান ও যত্নে অবনতি দেখা দিলে। (৫) শরীরে এমন কোন ক্ষত বা কাটা ছেড়া দেখা গেলে যা সম্পর্কে তারা জানে না বা কীভাবে আঘাত পেলো তা আপনাকে বলতে না চাইলে। (৬) তাদের মুখে বা শরীরে বা পোষাকে অদ্ভুত বা অপরিচিত কোন গন্ধ পেলে। (৭) মাদকাসক্ত ব্যক্তির চেহারায় কালো ছোপ ছোপ দাগ তৈরি হয় । আচরণগত পরিবর্তন (১) যৌন ক্রিয়ায় অনীহা বা ক্ষমতা হ্রাস পেলে। (২) ক্লাস বা অফিসে ঘনঘন যেতে না চাওয়া বা প্রতিষ্ঠানে কোন ঝামেলায় জড়িয়ে পড়া। (৩) কাজে অমনযোগী হলে, ব্যক্তিগত শখ বা খেলাধুলায় আগ্রহ হারিয়ে ফেললে । (৪) তার ...

কীভাবে বুঝবেন আপনার সন্তান মাদকাসক্ত কিনা 01

আপনার সন্দেহ হচ্ছে আপনার পরিবারের কোন সদস্য মাদকাসক্ত। তা বুঝবেন কি করে? এই বিষয়ে দীর্ঘদিন মাদকবিরোধী নানা কর্মসূচি, মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভায় চিকিৎসক ও মনোবিজ্ঞানীদের পরামর্শ ও পর্যবেক্ষণ অনুসরণে লিখেছেন আশফাকুজ্জামান। যেকোনো পরিবারের যে কেউ যে কোন সময়ে যে কোন কারনে নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়তে পারে। কিন্তু অনেক মরণব্যাধির মতো শুরুর দিকে তার কোন লক্ষণ দেখা যায় না। মাদকাসক্তি পুরোমাত্রায় হওয়ার পর, তার শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন দেখে বুঝতে হয়, পরিবারের সদস্যটি হয়তো মাদকাসক্ত। এরপরও বলতে হয়, গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে মাদকাসক্ত ব্যক্তির আচরণ ও জীবনযাপনের কিছু লক্ষণ বা উপসর্গ দেখে বোঝা যায়। বিশেষ করে অভিভাবকেরা যদি সন্তানের প্রতি নিয়মিত নজর রাখেন, তবে একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন, তাদের সন্তান বা প্রিয়জন মাদকাসক্ত কিনা। লক্ষণগুলোর মধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য হলো: স্বাস্থ্যের অবনতি হওয়া। সব সময় সর্দি-কাশি লেগে থাকে। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। স্মৃতিশক্তি কমতে থাকে। মনোযোগ কমে যায়। অলসতা, হতাশা তৈরি হয়। কখনো চুপ আবার কখনো বেশি কথা বলে। আড্ডার নামে অনেক সময় নষ্ট করে। প্রায়ই মিথ্যা কথা বলা। কথা ও কাজের গরমিল। ...

প্ত্রিকার পাতা হতে

madok-birodhi-slogan/ মাদকাসক্তি নির্মূলে আমাদের করণীয় যেকোনো দুর্যোগ মাদক চোরাকারবারিদের জন্য ‘হানিমুন’ ুস্থ জাতি প্রতিষ্ঠায় ভাদও প্রতিরযাধ ঳রেিনিা জরুতয  মাদকাসক্তি: যেভাবে হতাশ, বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে একজন মাদকাসক্তের পরিবার মাদকের ভয়াল থাবায় গ্রাস যুব সমাজ যে ভাবে বোঝা যাবে মাদকাসক্তি

মাদকাসক্তের ৭ দিনের দ্রুত রিকভারি প্ল্যান

এটি মাদকাসক্ত ব্যক্তির দ্রুত মানসিক ও শারীরিক রিকভারি সহ পরিবারের করণীয় মিলিয়ে একটি ৭ দিনের কার্যকর, বাস্তবসম্মত প্ল্যান। এটি প্রাথমিক রিকভারি (Detox + Stability) —যেখানে বাড়িতে পরিবারসহ করা যায়। (অবশ্যই গুরুতর ক্ষেত্রে ডাক্তার/রিহ্যাব প্রয়োজন।) ✅ মাদকাসক্তের ৭ দিনের দ্রুত রিকভারি প্ল্যান (সকাল–বিকেল–রাত অনুযায়ী সাজানো) 🗓 Day 1 — নিরাপত্তা ও পরিবেশ পরিবর্তন লক্ষ্য: শরীর ও মনের স্থিরতা, বাড়ির পরিবেশ শান্ত করা সকাল: ঘর পরিষ্কার, আলো–বাতাস ঠিক করা পরিবার কেউ রাগ দেখাবে না, শুধু শান্ত স্বর বিকেল: ৩০–৪৫ মিনিট হাঁটাহাঁটি লবণ–চিনি কম, পানি বেশি রাত: গরম পানিতে পা ডুবানো (Relaxation) ৫ মিনিট শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যায়াম মা-বাবার কোমল কথা: “তুই আজ ভালো শুরু করেছিস। আল্লাহ তোকে সাহায্য করবে।” 🗓 Day 2 — Withdrawal সামলানোর দিন লক্ষ্য: শরীরের কাঁপুনি, অস্থিরতা ও রাগ কমানো সকাল: গরম পানি, লেবু, মধু হালকা সকালের নাশতা ১০ মিনিট হালকা স্ট্রেচিং বিকেল: পরিবার থেকে একজন শান্তভাবে কথা বলবে “আমরা আছি, তুই ভয় পাবি না।” চিন্তা–উদ্বেগ কমাতে ছোট ...

মাদকাসক্ত সন্তানের জন্য “মা–বাবার দোয়া-স্ক্রিপ্ট

  (কোমল ভাষায়, হৃদয়ছোঁয়া করে সাজানো) ☘️ ১. সকালে সন্তানের মাথায় হাত রেখে “আল্লাহ, আমার ছেলেটাকে (মেয়েটাকে) তুমি হেদায়েত দাও। তার মনে শান্তি দাও। খারাপ আসক্তি থেকে মুক্তির শক্তি দাও।” ☘️ ২. যখন সন্তান ঘুমিয়ে থাকে “হে আল্লাহ, আমার সন্তানের শরীর–মন তুমি সুস্থ করে দাও। তার জীবনে নূর দাও। সে যেন আবার সুন্দর জীবনে ফিরে আসে।” ☘️ ৩. যখন সে কষ্টে বা রাগে থাকে “ও আল্লাহ, আমার সন্তানের অন্তরটা কোমল করে দাও। ওকে ধৈর্য দাও। এই কঠিন সময় থেকে তুমি নিজে পথ দেখিয়ে বের করে দাও।” ☘️ ৪. সন্তানের সামনে ধীরে–মনে–মনে বলার জন্য “আল্লাহ তোমাকে ভালোই করবে বাবা/মা। তুমি চিন্তা কোরো না। তোমার জন্য আমি আছি—আর আল্লাহ তো আছেই।” ☘️ ৫. বাবা-মায়ের নিজস্ব দোয়া “ইয়া আল্লাহ, আমরা হয়তো কোথাও ভুল করেছি। আমাদের ক্ষমা করো। আমাদের সন্তানের জীবনে বরকত দাও, নেশার পথ থেকে ফিরিয়ে আনো।” ☘️ ৬. সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য দোয়া “হে আল্লাহ, আমার সন্তানের রিজিক, কাজ, জীবন—সব যেন হালাল, সুন্দর এবং শান্তির হয়। তার উপর তোমার রহমতের ছায়া থাকুক।” ☘️ ৭. মনের অশান্তি কমাতে দোয়া “ইয়া আল্লাহ, আমাদের ঘর থেকে দুঃখ-...

মাদক নির্মূলে সমাজের ১৫ দফা করণীয়

🌿 মাদক নির্মূলে সমাজের ১৫ দফা করণীয় ১) সচেতনতা সৃষ্টি মাদক কীভাবে ধীরে ধীরে জীবন নষ্ট করে—এ নিয়ে মহল্লা, স্কুল, মসজিদে আলোচনা। আসক্তির চিকিৎসা যে সম্ভব—এই আশাবাদ ছড়িয়ে দেওয়া। ২) স্কুল–কলেজে নিয়মিত ক্যাম্পেইন শিক্ষার্থীদের জন্য “মাদক বিরোধী সপ্তাহ” আয়োজন। আসক্তদের বাস্তব গল্প দেখানো (পরিচয় গোপন রেখে)। ৩) ধর্মীয় নেতৃত্বের ভূমিকা ইমামরা জুমার খুতবায় মাদকharাম এবং মানবিক ক্ষতির কথা তুলবেন। মসজিদে “পরিবার কাউন্সেলিং ডেস্ক” খোলা যায়। ৪) স্থানীয় নেতাদের জবাবদিহিতা ওয়ার্ড কাউন্সিলর/চেয়ারম্যানদের কাছে নিয়মিত মাদক–সম্পর্কিত অভিযোগ দেওয়া। এলাকা নজরদারি বাড়ানোর জন্য কমিউনিটি ওয়াচ টিম। ৫) নিরাপদ বিনোদন ও খেলাধুলা ক্লাব, মাঠ, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কাজ—যুবকদের জন্য নিয়মিত আয়োজন। সন্ধ্যার পর কিশোরদের রাস্তার আড্ডা কমাতে সামাজিক আয়োজন। ৬) ভিকটিম পরিবারকে লজ্জা না দেওয়া কারো ছেলে/মেয়ে আসক্ত হলে তাকে ছোট না করা। সহযোগিতা, সহমর্মিতা এবং চিকিৎসায় উৎসাহ দেওয়া। ৭) মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া ব্যবসায়ীদের পরিচয় গোপনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো। রাজনৈতিক প্...